পূর্ব এশীয়–অস্ট্রালেশীয় ফ্লাইওয়ে

বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ

বৈশ্বিক মূল্যের প্রকৃতি নিয়ে একটি ছোট ব-দ্বীপ।

পূর্ব এশীয়–অস্ট্রালেশীয় ফ্লাইওয়ে ধরে পরিযায়ী পাখিরা বাংলাদেশকে সাইবেরিয়া, পূর্ব এশিয়া ও অস্ট্রালেশিয়ার সাথে যুক্ত করে। সাইবেরিয়া পূর্ব এশিয়া বাংলাদেশ অস্ট্রালেশিয়া

বাংলাদেশে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন, রামসার-তালিকাভুক্ত হাওর ও জলাভূমি, সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম পাড়ার বঙ্গোপসাগর উপকূল এবং পরিযায়ী পাখির শীতের আবাস, যা বাংলাদেশের গ্রামগুলোকে এশিয়াজুড়ে ফ্লাইওয়ের সাথে যুক্ত করে। জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যেও বাংলাদেশ একটি। বিবিসিএফের স্বেচ্ছাসেবকরা এই বৈশ্বিক দায়িত্বকে স্থানীয় উদ্যোগে রূপ দেন।

দেশকে জানুন

বাংলাদেশ: তথ্য ও প্রকৃতি

  • ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিমিমোট আয়তন
  • প্রায় ১৬.৯৮ কোটিমানুষ (২০২২ সালের শুমারি)
  • প্রায় ১,১৫০প্রতি বর্গকিমিতে মানুষ
  • ৬৪জেলা, ৮টি বিভাগে
  • ১২৫সুন্দরবনে বাঘ (২০২৪ সালের জরিপ)
  • ৬০+স্থলে ও সাগরে রক্ষিত এলাকা
  • ২আন্তর্জাতিক গুরুত্বপূর্ণ রামসার জলাভূমি
  • ৭০০+পাখির প্রজাতি রেকর্ড হয়েছে

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২; আইইউসিএন বাংলাদেশের লাল তালিকা ২০১৫; বাংলাদেশ বন অধিদপ্তর (বাঘ জরিপ ২০২৪, আন্তর্জাতিক সনদ); রামসার সনদ; ইউনেসকো বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্র। সংখ্যাগুলো আনুমানিক; নতুন তথ্য এলে বিবিসিএফ হালনাগাদ করে।

বাংলাদেশ পরিচিতি

বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বের বৃহত্তম ব-দ্বীপে, যা গঙ্গা (পদ্মা), ব্রহ্মপুত্র (যমুনা) ও মেঘনা নদী বঙ্গোপসাগরে মেশার পথে গড়ে তুলেছে। দেশের বেশির ভাগই সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র কয়েক মিটার উঁচু সমতল, উর্বর প্লাবনভূমি; পাহাড় আছে শুধু উত্তর-পূর্বে সিলেট অঞ্চলে এবং দক্ষিণ-পূর্বে পার্বত্য চট্টগ্রামে। ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুতে বছরের বেশির ভাগ বৃষ্টি হয় জুন থেকে অক্টোবরে, আর নদী, জলাভূমি ও সাগর এখানকার কৃষি, মাছ ধরা ও দৈনন্দিন জীবন গড়ে দেয়।

জনসংখ্যা ও জনমিতি

২০২২ সালের জনশুমারি ও গৃহগণনায় ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার এলাকায় প্রায় ১৬.৯৮ কোটি মানুষ গণনা করা হয়েছে: প্রতি বর্গকিলোমিটারে প্রায় ১,১৫০ জন, যা বিশ্বের সর্বোচ্চ ঘনত্বগুলোর একটি। প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ মানুষ গ্রামে বাস করেন, আর লক্ষ লক্ষ মানুষ খাদ্য ও আয়ের জন্য সরাসরি নদী, জলাভূমি, বন ও সাগরের ওপর নির্ভরশীল। তাই সুস্থ প্রকৃতি শুধু সংরক্ষণের নয়, প্রতিদিনের বেঁচে থাকারও প্রশ্ন।

ভূপ্রকৃতি

ব-দ্বীপের ভূপ্রকৃতি

  • সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ

    পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন, ভারতের সঙ্গে ভাগ করা; এর প্রায় ৬,০০০ বর্গকিমি বাংলাদেশে। রয়েল বেঙ্গল টাইগার, নদীর ডলফিন ও লোনা পানির কুমিরের আবাস।

  • পাহাড়ি বন

    পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের ক্রান্তীয় চিরসবুজ ও আধা-চিরসবুজ বন, যেখানে আছে এশীয় হাতি, উল্লুক ও ধনেশ।

  • শালবন

    মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের পাতাঝরা শালবন, যেমন মধুপুর ও ভাওয়াল।

  • হাওর ও বিল

    উত্তর-পূর্বের মৌসুমি প্লাবনভূমির জলাভূমি, যেমন টাঙ্গুয়ার ও হাকালুকি হাওর, পরিযায়ী জলচর পাখির শীতের আবাস।

  • নদী ও প্লাবনভূমি

    শত শত নদী ও তাদের প্লাবনভূমি, মিঠাপানির মাছে সমৃদ্ধ এবং গাঙ্গেয় শুশুকের আবাস।

  • উপকূল ও দ্বীপ

    কাদাচর, চর, সৈকত এবং নিঝুম দ্বীপ ও দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের মতো দ্বীপ।

  • বরেন্দ্র অঞ্চল

    উত্তর-পশ্চিমের তুলনামূলক শুষ্ক, সামান্য উঁচু লাল মাটির অঞ্চল, যার নিজস্ব কৃষি ও বন্যপ্রাণী আছে।

বন্যপ্রাণী

বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী

বাংলাদেশে ভারতীয় ও ইন্দো-চীনা বন্যপ্রাণীর সমৃদ্ধ মিশ্রণ রয়েছে। আইইউসিএন বাংলাদেশের লাল তালিকা (২০১৫) সাতটি গোষ্ঠীর ১,৬১৯টি প্রাণী প্রজাতি মূল্যায়ন করে ৩৯০টিকে হুমকির মুখে পেয়েছে; ৩১টি প্রজাতি দেশ থেকে ইতিমধ্যে বিলুপ্ত, যার মধ্যে আছে তিন প্রজাতির গন্ডারই, বুনো মহিষ ও বারশিঙ্গা হরিণ। ভালো সুরক্ষার ফলে সুন্দরবনের বাঘ ২০১৫ সালের পর বেড়েছে; ২০২৪ সালে গণনা করা হয়েছে ১২৫টি।

  • রয়েল বেঙ্গল টাইগারসুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ বন
  • এশীয় হাতিচট্টগ্রাম ও কক্সবাজারের পাহাড়ি বন
  • গাঙ্গেয় শুশুকপদ্মা, যমুনা ও মেঘনার মতো বড় নদী
  • ইরাবতী ডলফিনউপকূলীয় নদী ও সুন্দরবন
  • পশ্চিমা উল্লুকসিলেট ও চট্টগ্রামের পাহাড়ি বন
  • চামচঠুঁটো বাটানশীতে উপকূলের কাদাচর
  • জলপাই রঙা কাছিমকক্সবাজার ও সেন্ট মার্টিনের ডিম পাড়ার সৈকত

বন্য ভূমি ও রক্ষিত এলাকা

বাংলাদেশ জাতীয় উদ্যান, বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য, ইকোপার্ক, বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা ও সামুদ্রিক রক্ষিত এলাকার মাধ্যমে তার বন, জলাভূমি ও সাগর রক্ষা করে: গণনার ধরন অনুযায়ী প্রায় ৬০টি স্থান। সুন্দরবনে তিনটি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য আছে এবং এটি একাধারে ইউনেসকো বিশ্ব ঐতিহ্য (১৯৯৭) ও রামসার জলাভূমি (১৯৯২); টাঙ্গুয়ার হাওর ২০০০ সালে দ্বিতীয় রামসার স্থান হয়।

সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র

মিয়ানমার (২০১২) ও ভারতের (২০১৪) সঙ্গে সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির পর বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের জলসীমা প্রায় ১,১৮,৮০০ বর্গকিমি। এর মধ্যে আছে কক্সবাজারের দীর্ঘ বালুকাময় সৈকত, সেন্ট মার্টিনের চারপাশের প্রবাল, মোহনা, কাদাচর এবং গভীর সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ, যা তিমি ও ডলফিনের ব্যবহৃত একটি সামুদ্রিক রক্ষিত এলাকা। এই জলরাশি ইলিশসহ অঞ্চলের অন্যতম সমৃদ্ধ মৎস্যসম্পদের উৎস, কিন্তু অতিরিক্ত মাছ ধরা, প্লাস্টিক, দূষণ ও উষ্ণ হয়ে ওঠা জলবায়ু একে চাপে ফেলছে।

প্রধান সমস্যা

জীববৈচিত্র্যের প্রধান সমস্যা

  • আবাসস্থল ধ্বংস

    কৃষি, বসতি, রাস্তা ও শিল্পের জন্য বন, জলাভূমি ও চরের জমি উজাড় বা রূপান্তর করা হচ্ছে।

  • শিকার ও বন্যপ্রাণী পাচার

    দেশের ভেতরে ও সীমান্তের ওপারে পাখি, কাছিম, সরীসৃপ ও স্তন্যপায়ী প্রাণী ফাঁদে ধরা, শিকার ও অবৈধভাবে কেনাবেচা হয়।

  • মানুষ ও বন্যপ্রাণীর দ্বন্দ্ব

    দক্ষিণ-পূর্বে হাতি ফসল নষ্ট করে, আর বনের কাছে বাঘ, কুমির ও সাপের সঙ্গে মানুষের সংঘাত হয়।

  • দূষণ ও প্লাস্টিক

    শিল্পবর্জ্য, কৃষি রাসায়নিক, অপরিশোধিত পয়োবর্জ্য ও প্লাস্টিক নদী, জলাভূমি ও সাগরের ক্ষতি করছে।

  • জলবায়ু পরিবর্তন ও লবণাক্ততা

    সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, তীব্র ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও দক্ষিণ-পশ্চিমে বাড়তে থাকা লবণাক্ততা সুন্দরবন ও উপকূলের জীবনকে প্রভাবিত করছে।

  • অতিরিক্ত মাছ ধরা ও মরতে থাকা নদী

    ক্ষতিকর জাল, অতিরিক্ত মাছ ধরা, বালু উত্তোলন ও নদী শুকিয়ে যাওয়া মাছ, ডলফিন ও জলচর পাখির জন্য হুমকি।

আইন

প্রকৃতি রক্ষার আইন

বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ আইন

  • বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২প্রধান বন্যপ্রাণী আইন: তালিকাভুক্ত প্রজাতি রক্ষা করে, রক্ষিত এলাকা ঘোষণা করে এবং বন্যপ্রাণী শিকার, পালন বা কেনাবেচার শাস্তি নির্ধারণ করে; বিপন্ন প্রজাতির বাণিজ্যে সাইটিস অনুমতি লাগে।
  • বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন, ২০১৭জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, এর টেকসই ব্যবহার ও জৈব সম্পদের সুফলের ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করে এবং জীববৈচিত্র্য ঐতিহ্য স্থানের বিধান রাখে।
  • রক্ষিত এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৭বন্যপ্রাণী আইনের অধীনে রক্ষিত এলাকা পরিচালনার বিধিমালা, স্থানীয় মানুষের সঙ্গে সহ-ব্যবস্থাপনাসহ।
  • বন আইন, ১৯২৭সংরক্ষিত ও রক্ষিত বন এবং বন ব্যবস্থাপনার ভিত্তি।
  • বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পরিবেশগতভাবে সংকটাপন্ন এলাকা ও পরিবেশ ছাড়পত্র, পরিবেশ সংরক্ষণ বিধিমালা, ২০২৩-সহ।
  • মৎস্য রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, ১৯৫০মাছ ধরার মৌসুম, নিষিদ্ধ জাল ও সরঞ্জাম এবং নদী ও জলাভূমিতে মৎস্য অভয়াশ্রম।

জলবায়ু আইন ও পরিকল্পনা

  • বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা, ২০০৯জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাওয়ানো ও নিঃসরণ কমানোর জন্য দেশের প্রথম দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা।
  • জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট আইন, ২০১০সরকারের নিজস্ব বাজেট থেকে অর্থায়িত একটি জাতীয় জলবায়ু তহবিল গঠন করেছে।
  • দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস, আগাম সতর্কতা ও জরুরি সাড়াদান।
  • বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ব-দ্বীপের পানি, ভূমি ও জলবায়ু সহনশীলতার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা (২০১৮)।
  • জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০২৩–২০৫০পরিবর্তনশীল জলবায়ুর সঙ্গে কৃষি, পানি, বাস্তুতন্ত্র ও শহরকে খাপ খাওয়ানোর অগ্রাধিকার।
  • জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান, ২০২১গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমাতে প্যারিস চুক্তির অধীনে বাংলাদেশের অঙ্গীকার।

আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার

বাংলাদেশ যেসব আন্তর্জাতিক সনদে যুক্ত

সনদ বা চুক্তিবছরঅবস্থা
সাইটিস, বিপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য১৯৮২স্বাক্ষর ১৯৮১, অনুসমর্থন ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৮২
বিশ্ব ঐতিহ্য সনদ১৯৮৩অনুসমর্থন ৩ নভেম্বর ১৯৮৩
জলাভূমি বিষয়ক রামসার সনদ১৯৯২অনুসমর্থন ২০ এপ্রিল ১৯৯২
জীববৈচিত্র্য সনদ (সিবিডি)১৯৯৪স্বাক্ষর ১৯৯২, অনুসমর্থন ২০ মার্চ ১৯৯৪
জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘ কাঠামো সনদ১৯৯৪অনুসমর্থিত
মরুকরণ প্রতিরোধে জাতিসংঘ সনদ১৯৯৬অনুসমর্থন ২৬ জানুয়ারি ১৯৯৬
কিয়োটো প্রটোকল২০০১যুক্ত
আইওএসইএ সামুদ্রিক কাছিম চুক্তি২০০৩স্বাক্ষর ২৩ অক্টোবর ২০০৩
পরিযায়ী প্রজাতি সনদ (সিএমএস)২০০৫স্বাক্ষর ১ ডিসেম্বর ২০০৫
পূর্ব এশীয়–অস্ট্রালেশীয় ফ্লাইওয়ে পার্টনারশিপ২০১০যুক্ত
দক্ষিণ এশিয়া বন্যপ্রাণী আইন প্রয়োগ নেটওয়ার্ক২০১৩যুক্ত
প্যারিস চুক্তি২০১৬অনুসমর্থিত
সেন্ট্রাল এশিয়ান ফ্লাইওয়ে২০২৩যুক্ত ১৩ এপ্রিল ২০২৩

সংরক্ষণের সুযোগ

সংরক্ষণ যেখানে বাড়তে পারে

  • জনগোষ্ঠীভিত্তিক সংরক্ষণ

    স্বেচ্ছাসেবক, গ্রাম কমিটি ও জমির মালিকরা নিজেদের এলাকায় পাখির কলোনি, জলাভূমি ও বন রক্ষা করেন।

  • নাগরিক বিজ্ঞান

    পাখিশুমারি, উদ্ধারের রেকর্ড ও স্বেচ্ছাসেবকদের প্রতিবেদন গবেষণা ও নীতির জন্য তথ্য জোগায়।

  • পুনরুদ্ধার

    ম্যানগ্রোভ ও দেশি বন পুনরায় রোপণ এবং জলাভূমি ও নদী পুনরুজ্জীবন।

  • প্রকৃতিনির্ভর জীবিকা

    দায়িত্বশীল ইকোট্যুরিজম, টেকসই মাছ ধরা ও বনজ পণ্য মানুষকে প্রকৃতি রক্ষার কারণ দেয়।

  • শিক্ষা ও সচেতনতা

    স্কুল, ক্যাম্পাস ও গণমাধ্যম এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তোলে যারা বন্যপ্রাণীকে মূল্য দেয়।

  • গবেষণা ও অংশীদারত্ব

    বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার ও আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক প্রজাতি ও আবাসস্থলের জন্য একসঙ্গে কাজ করে।

এক নজরে বাংলাদেশ

বৈশ্বিক মূল্যের প্রকৃতি নিয়ে একটি ছোট ব-দ্বীপ

সুন্দরবন, বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন ও বিশ্ব ঐতিহ্য; রামসার জলাভূমি, হাওর ও বিল; সামুদ্রিক কচ্ছপের ডিম পাড়ার বঙ্গোপসাগর উপকূল; পরিযায়ী পাখির শীতের আবাস; এবং জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর একটি।

সুন্দরবন

বৈশ্বিক কাঠামো

বিবিসিএফের স্বেচ্ছাসেবকরা কমিউনিটি পর্যায়ে এমন কাজ করেন, যা কুনমিং-মন্ট্রিয়াল বৈশ্বিক জীববৈচিত্র্য কাঠামো ও এর ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রাকে সহায়তা করে।

ফ্লাইওয়ে ও সহযোগী

বিবিসিএফ বাংলাদেশে বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবসের যৌথ আয়োজন করেছে এবং ইএএএফপি, সিএমএস ও বিশ্বব্যাংকের স্বীকৃতি পেয়েছে।

নেটওয়ার্কে যুক্ত হোন

দেশ-বিদেশের সংরক্ষণ সংগঠন, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষক ও উন্নয়ন সহযোগীরা মাঠপর্যায়ের প্রকল্প, গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও জ্ঞান বিনিময়ে বিবিসিএফের সঙ্গে কাজ করতে পারেন। প্রতিটি অনুদান সারা দেশে বন্যপ্রাণী ও প্রাকৃতিক আবাস রক্ষায় আমাদের ৪৫,০০০+ স্বেচ্ছাসেবককে সহায়তা করে।

বিবিসিএফে দান করুন